রমজান মাসে ভাগ্য পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া সমূহ। রমজান ২০২৪

রমজান মাসে ভাগ্য পরিবর্তনের আমল ও দোয়া। রমজান মাস মুসলিমদের জন্য একটি পবিত্র মাস যা কুরআন মহান পুরুষ মুহাম্মাদ (সা:) এর নিকট একটি উপহার হিসেবে প্রেরিত হয়েছে। এই মাসে মুসলিমদের প্রতি দিন রোজা রাখা হয় যা একটি মহান উপহার হিসেবে গণ্য করা হয়।

রমজান মাসে ভাগ্য পরিবর্তনের আমল ও দোয়া করা হলে অনেক ভাল হয়।

রমজান মাসে গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া সমূহ আরো দেখুন।

আমরা রমজান মাসে বেশি বেশি করে দুরুদ পরবো , আল্লাহর কাছে দোয়া চাইবো। যাহাতে করে আমাদের সকল বিপদ-আপদ গুনাহ মাফ হয়ে যাবেন এবং আমাদের পরিবারের লোকজন যারা দেশ বিদেশে অবস্থান করেছেন তাদের যাতে করে বিপদ-আপদ না হয় তাদের জন্যে আমরা বেশি করে এই আমলগুলো করতে পারি । পরিবারের মা-বোনেরা এবং সকল ভাই বাবা-মা সবাই আমরা বেশি বেশি করে এই আমল করি, যাতে করে আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় এবং সকল ধরনের বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পেতে পারি ।

যারা বিদেশে অবস্থান করেছেন সৌদি আরব , মালয়েশিয়া, দুবাই, কাতার, বাহরাইন , আরব আমিরাত, ওমান সহ বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ভাই-বোনেরাও বেশি বেশি করে দোয়া করুন আপনাদের জন্য এবং আপনাদের বিপদ-আপদ যাহাতে না আসে। আশা করি এখান থেকে আপনাদের অনেক উপকৃত হতে পারবেন।

রমজানে খতম তারাবি ২০২৩ পড়ার নতুন নিয়ম জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২৩ [সকল জেলা]

নিচে কিছু আমল এবং দোয়া উল্লেখ করা হলো:

  1. আল্লাহর কাছে তওবা করুন এবং মাফি চাইয়া: রমজান মাস মুসলিমদের জন্য একটি সময় যখন তারা তওবা করতে পারেন। তাই আপনি আপনার পূর্বের কোন কাজের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করতে পারেন এবং মাফি চাইতে পারেন।
  2. কুরআন পড়া: রমজান মাস একটি পবিত্র মাস, তাই এই মাসে কুরআন পড়া একটি মহান আমল। আপনি কুরআন পড়তে পারেন।
  3. জিকির করা: রমজান মাসে জিকির করা একটি সুন্নত। আপনি আপনার হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ করতে পারেন এবং তাকবীর, তাহলীল এবং তাহমীদ পড়তে পারেন।
  4. সদকা দান করা: রমজান মাস সদকা দান করার জন্য একটি উপযুক্ত সময়। আপনি আপনার সম্ভবত সবচেয়ে ভাল এবং মানসিকভাবে প্রসারিত সদকা দান করতে পারেন।
  5. ইফতার ও সেহরী সময়ে দোয়া করা: রমজান মাসে ইফতার ও সেহরী সময়ে দোয়া করা একটি মহান সুন্নত। আপনি আল্লাহর কাছে ইফতার ও সেহরী সময়ে দোয়া করতে পারেন এবং তার রহমত এবং করুণার দোয়া করতে পারেন।
  6. আশার দোয়া করা: রমজান মাসে মুসলিমদের প্রতি রাতে আশার দোয়া করা উচিত। আপনি আশার দোয়া করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারেন যে আপনি এই মাসে সমস্ত ভালো কাজ গুল করতে পারেন।

রমজান মাসে গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া সমূহ আরো দেখুন।

রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে তার মধ্যে কিছু আমল হচ্ছে,

রমজান মাসে গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া বেশি করে পডুন। এই কাজ গুলো বেশি বেশি করে করুণ। আল্লাহ আপনাকে অনেক কিছু থেকে পানাহ দিবেন। আসুন আমরা নিচের প্রতিটি তাজবিহ ও তাজ

১। রমজানের চাঁদ দেখা।

২। রমজানের রোজা রাখা।

৩। তারাবির নামাজ পড়া। .

৪। সেহরি খাওয়া

৫। ইফতার করা।

৬। ইফতার নিদিষ্ট সময়ে করা।

৭। ইফতারের সময় দোয়া করা

৮। ইফতার ও সেহরি তে খেজুর খাওয়া

৯।রোজা অবস্থায় দোয়া করতে থাকা

১০। সকল প্রকার গুনা বর্জন করা।

১১। ঝগড়া পরিহার করা

১২। মিথ্যা ত্যাগ করা

১৩। বেশি বেশি ভাল কাজ করা

১৪। বেশী বেশী ইস্তেগফার করা

১৫। মিসওয়াক করা

১৬। ওমরা করা।

১৭। তাহাজ্জুদ পড়া ও দোয়া করা

১৮। রোজাদারকে ইফতার করানোর।

১৯। বেশি বেশি সাদাকা করা

২০।শেষ দশকে বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগী করা।

২১। শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করা।

২২। রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদরের দোয়া করা

২৩। সদকাতুল ফিতর আদায় করা।

রমজান মাসের আমল তাসবিহ তাশাহুদ

এই তাসবিহ তাশাহুদ পডলে আপনার সকল অভাব,দুচিন্তা, বিপদ আপন, বড ধরনের রোগ বালাই দূর হবে। আসুন আমরা নিচে এই গুলোও বেশি বেশি আমল করি এবং আমারের ভাগ্য পরিবত্তন করি। আল্লাহ যদি চায় আমাদের সকল বিপদ আপদ দূর করে দিতে পারবেন।

প্রতিদিন সুবাহানাল্লাহ 200 বার পাঠ করা ,

আলহামদুলিল্লাহ 200 বার্‌

আল্লাহু আকবার 200 বার,

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ৫০০ বার,

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি 200 বার,

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ 2০০ বার,

সুবহানাল্লাহি আজিমি ওয়াবিহামদিহি 3০০ বার,

ইয়া হাইয়ুম ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ ২০০ বার,

আলহামদুলিল্লাহি কাছিরা 100 বার,

ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম ১০০বার,

সুবহানাল মালিকিল কুদ্দুস 100 বার,

হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল ২০০ বার,

যেকোনো দুরুদ শরীফ ৫০০ বার,

ইয়া ওয়াহহাবু ৫০০ বার,

ইয়া মুজিবু ৫০০ বার,

ইয়া মুছিবু ৫০০ বার,

বিসমিল্লাহ ১০০বার,

সালামুন কাওলাম মির রাব্বির রাহিম 100 বার,

রাব্বিগফির ওয়ার হাম ওয়া আনতা

খাইরুর রাহিমীন 100 বার,

আস্তাগফিরুল্লাহ যতখুশি।

আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম।